ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে সামার অ্যাডমিশন ফেয়ার অনুষ্ঠিত

0

সিটি নিউজঃ ‘এ-লেভেল শেষ করেই উচ্চশিক্ষায় জন্য কোথায় পড়বো তা ভাবছিলাম। ওয়েবসাইটে বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছি। দেখলাম ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতেই উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি। তাই এই মেলায় এসেছি অ্যাডমিশন টেস্ট ও টিউশন ফি নিয়ে বিস্তারিত জানতে।

কথাগুলো বলছিলেন ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সামার ২০১৯ সেমিস্টারের অ্যাডমিশন ফেয়ারে আসা তাজোয়ার আনান।

আজ বুধবার (১০ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের নিয়ে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। স্পট অ্যাডমিশনে ২৫ শতাংশ ছাড়ের সুবিধা থাকায় আগামী ১২ এপ্রিল সামার ২০১৯ সেমিস্টারে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণেচ্ছুরা ফরম নেন।
সকাল সাড়ে ৯ টায় ফিতা কেটে মেলাটি উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মু. সিকান্দার খান। এসময় তিনি বলেন, সময়ের চাহিদা বুঝেই এ মেলার আয়োজন করেছি আমরা।

মেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি বিভাগের ছিলো আলাদা আলাদা স্টল। কিন্তু তিনটি স্টলে ছিলো উপচে পড়া ভিড়। এগুলো হলো, অ্যাক্সেস অ্যাকাডেমি- বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান থেকে আসা শিক্ষার্থীদের চিন্তা ও জ্ঞানের তারতম্য কমিয়ে আনা হয়; ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট এক্সপেরিয়েন্স- যেখানে বিদেশে নিয়ে গিয়ে ইন্টার্নশিপ করানো হয়; নেটওয়ার্কিং অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেল- যেখানে শিক্ষার্থীদের সঠিক চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগে সহায়তা করা হয়।

এই সেমিস্টার থেকে শুরু হওয়া মাস্টার অব পাবলিক পলিসি অ্যান্ড লিডারশিপ নিয়েও ছিলো দর্শনার্থীদের আগ্রহ। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত নওশেরা রিপা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ ছিলো। উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এই প্রোগ্রাম থাকলেও চট্টগ্রামে প্রথম এটি চালু করায় ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিকে ধন্যবাদ।

বিকেল থেকে রাত আটটায় মেলা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ইডিইউ ও বিএসএইচআরএম-এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘অ্যাডভান্সড সার্টিফিকেট ইন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট’ (অ্যাসিএইচআরএম) নিয়ে জানতে এবং ভর্তি হতে আসেন বিভিন্ন কর্পোরেট অফিসে কর্মরত এক্সিকিউটিভরা। পাশপাশি এমবিএ’তেও আগ্রহী অনেকেই ভর্তি ফরম নেন আজ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কোর্স ও সুযোগসুবিধা সম্পর্কে জানাতে এবং শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতা কাটাতে এই অ্যাডমিশন ফেয়ার আয়োজন। কিন্তু শুধুমাত্র পড়া ও সার্টিফিকেট দেয়াই আমাদের কাজ না। একজন শিক্ষার্থীকে পূর্ণাঙ্গ মানুষরূপে গড়ে তোলা, তার সমূহ সম্ভাবনা বিকশিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার সামস-উদ-দোহা, রেজিস্ট্রার সজল কান্তি বড়ুয়া, প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট ডিরেক্টার শাফায়াত কবির চৌধুরী, স্কুল অব লিবারেল আর্টসের ডিন মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ড. মো. নাজিম উদ্দিন, স্কুল অব বিজনেসের ডিন ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবির, প্রক্টর অনন্যা নন্দী প্রমুখ।

এ বিভাগের আরও খবর

Leave A Reply

Your email address will not be published.