মুসলমানদের জন্য”দাওয়াতে খায়র”মাশায়েখে হযরতের নিয়ামত‌

0

সিটি নিউজ,চন্দনাইশ :  চন্দনাইশ উপজেলার বরকল ২নং ওয়ার্ড গাউসিয়া কমিটির উদ্যোগে শোহাদায়ে কারবালার স্মরণে শাহাদাতে কারবালা মাহফিল ও গাউসে জামান আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়ব শাহ্ (রহ.) স্মরণে ওরসে তৈয়ব শাহ্-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনজুমান রিচার্স সেন্টার’র মহাপরিচালক, পবিত্র কোরআন মজিদের সফল অনুবাদক লেখক ও গবেষক আল্লামা এম এ মান্নান (মুজিআ) বলেন, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া আল্লামা সৈয়দ আহমদ শাহ্ সিরিকোটি (রহ.) নামে হয়েছে। এটির সবচেয়ে বড় কারামত হচ্ছে জামেয়া সুন্নি মুসলমানদের ঐক্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আল্লামা সৈয়দ আহমদ শাহ্ সিরিকোটি প্রতিষ্ঠিত জামেয়ার মাধ্যমে সুন্নিয়তের জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে।

জামেয়ার আদলে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে শতাধিক মাদ্রাসা, খানকাহসহ বাংলাদেশে হাজারো মসজিদ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে দ্বীনি আলেম বের হচ্ছে। হুজুর কেবলা আল্লামা তৈয়ব শাহ্ (রহ.) গাউসিয়া কমিটি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তরিকত ও ইসলামের প্রচারে যে জাগরণ সৃষ্টি করেছেন তাকে যথাযথ রূপ দেওয়ার জন্য হযরাতে ক্বেরামের পক্ষ থেকে গাউসিয়া ত্বরবিয়াতুন নেছাবের ভিত্তিতে দাওয়াতে খায়র কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।

দাওয়াতে খায়ের কর্মসূচী বাঙ্গালি মুসলমানদের জন্য মাশায়েখে হযরতের পক্ষ থেকে নিয়ামত সরূপ। এই দাওয়াতে খায়র কর্মসূচী মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নির্দেশিত পন্থায় কার্যকর করতে হবে। যা নবী (দরূদ) সাহাবায়ে ক্বেরাম, আউলিয়া ক্বেরাম ও বুুুজুর্গানে দ্বীনরা করে আসছেন।

সংগঠনের সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ আজম খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধক ছিলেন প্রবীণ আলেমেদ্বীন আল্লামা অধ্যক্ষ শাহ্ খলিলুর রহমান নিজামী (মুজিআ)। গাজী মুহাম্মদ জাহেদুল আলম ও জি.এম শাহাদত হোসাইন মানিকের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, বরকল ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মাওলানা ক্বারী মুহাম্মদ ফেরদাউসুল আলম খান আল-কাদেরী, আলহাজ্ব সৈয়দ আলা উদ্দিন আলী, আলহাজ্ব মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মুহাম্মদ শওকত হোসেন ফিরোজ, মুহাম্মদ আবু তাহের, মুহাম্মদ আমির হোসেন, মুহাম্মদ দিদারুর রশিদ, মাওলানা মোরশেদুল হক আনোয়ারী, এড.আবুল কাশেম মুহাম্মদ ইউনুছ, মুহাম্মদ আরমানুর রশিদ, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আলী আক্কাস, অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী ইকবাল তাহেরী, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম রুবেল। মাহফিলে প্রধান বক্তা ছিলেন, বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা আবুল কালাম বয়ানী। বিশেষ বক্তা ছিলেন, মাওলানা ইউসুফ জিলানী।

বক্তব্য রাখেন, কে এ এম রাশেদ, মাওলানা রুহুল আমিন আল-কাদেরী, মুহাম্মদ মনির হোসেন, মুহাম্মদ আলম খান, শাহাজাদা মুহাম্মদ কিবরিয়া হোসেন আজম, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান রুবেল তালুকদার, মুহাম্মদ কায়কোবাদ, জি এম আকবর খান, হাফেজ মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন খান, মুহাম্মদ দিদারুল আলম, মুহাম্মদ আজিজুর রহমান চৌধুরী রাসেল, সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার, মাস্টার মুহাম্মদ আনিস, মুহাম্মদ সাইফুদ্দীন তালুকদার, গাজী মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম চৌধুরী, মাওলানা মুহাম্মদ আলী আকবর, মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন সুমন, মুহাম্মদ শাহাদত হোসেন চৌধুরী, মুহাম্মদ বেলাল উদ্দিন চৌধুরী হিরো, মুহাম্মদ মারুফুল ইসলাম, মুহাম্মদ খোরশেদুল আলম চৌধুরী, জি এম গিয়াস উদ্দিন আরাফাত, হাফেজ মুহাম্মদ সৈয়দ নূর, মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব ফয়েজ আহমদ তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ সোলেমান খান, মুহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী, মুহাম্মদ ইদ্রিস চৌধুরী, মুহাম্মদ আবুল কালাম সওদাগর।

এ বিভাগের আরও খবর

Leave A Reply

Your email address will not be published.