মেয়রের তথ্যচিত্রঃ ‘কেন আপনি নৌকায় ভোট দিবেন’

0

কারেন্ট টাইমসঃ  “কেন আপনি নৌকায় ভোট দিবেন” শীর্ষক সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীনের নির্মিত তথ্যচিত্রটি দু”দিনব্যাপি প্রর্দশন শেষে আজ শেষ হয়েছে।

এই তথ্যচিত্রটি বুধবার থেকে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে গুরুত্বপুর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে নগরবাসী কেন নৌকায় ভোট দিবেন এই জিজ্ঞাসার জবাবের জন্য এই ছবিটি প্রর্দশিত হয়।

নগরীর নিউ মাকের্ট,আন্দরকিল্লাহ, জামালখান,জিওসি মোড়, ওয়াসার মোড়,টাইগার পাস,আগ্রাবাদ,বারিক বিল্ডিং,ফকিরহাট ,নিমতালা,সল্পগোলা,ইপিজেড়,বন্দরটিলা ,সিমেন্ট ক্রসিং,স্টীল মিলস,চকবাজার,বহদ্দারহাট প্রভৃতি স্থানে এ তথ্যচিত্রটি প্রদর্শিত হয়েছে। ১৫মিনিট ৪ সেকেন্ডের এই তথ্যচিত্রটিতে স্বয়ং মেয়র কন্ঠ দিয়েছেন। এই তথ্যচিত্রে নগরীতে শেষ হওয়া এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকান্ডের দৃশ্য তুলে ধরা হয়।

সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই তথ্যচিত্রটি তৈরী করা হয়। নগরবাসীকে নৌকায় ভোটদানে উদ্ধুদ্ধকরণে নির্মিতে এই তথ্যচিত্রে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম ওয়াস, চট্টগ্রাম বন্দর, বাংলাদেশ রেলওয়ে, সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ নগরীর বিভিন্ন সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

এতে তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী এই নগরের নাগরিক সেবা বৃদ্ধির জন্য এবং পরিকল্পিত একটি নগর গড়ার জন্য সহায়তা করেছেন। চট্টগ্রামকে উন্নয়ন কমকাণ্ড দিয়ে গড়ে তোলার কৃতিত্ব বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার। তিনি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দীর্ঘমেয়াদী চিন্তাভাবনা করে প্রকল্প সহায়তা করেছেন।

এই সব প্রকল্পের মাধ্যমেই চট্টগ্রামের আমুল পরিবর্তন হয়েছে। তা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। বর্তমান সরকার গত ১০ বছরে চট্টগ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে । বর্তমান সরকারের এসব উন্নয়ন জনগনের সামনে তুলে ধরা লক্ষে এই তথ্যচিত্রটি নির্মান করা হয় বলে মেয়র উল্লেখ করেন। এছাড়া গত ১০বছরে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের সুফল ইতোমধে দেশের জনগন পেতে শুরু করেছেন ।

বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে।এই প্রসংগে মেয়র বলেন বাংলাদেশ এখন দরিদ্র বা স্বল্পন্নোত দেশ নয় ,নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশ । এই সরকারের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা গেলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বল্প বাস্তবায়িত হবে । মেয়র বলেন, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারকালীন সময় প্রধানমন্ত্রী নগরবাসীর উদ্দেশ্য বলেছিলেন আপনারা আমার উপর আস্থা রাখুন।

আমাকে ভোটদিয়ে সরকার গঠনের সহায়তা করুণ। তাহলে চট্টগ্রামের উন্নয়নের দায়িত্ব আমি নিজ হাতে নিব। প্রধানমন্ত্রী তাঁর দেয়া এ প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেননি, সরকার গঠনের পর দায়িত্ব নিয়ে তিনি চট্টগ্রামের প্রত্যেকটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্প গ্রহনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানমুলক প্রকল্প গ্রহন করেছে।

তারই প্রেক্ষিতে চট্টগ্রামে বে টার্মিনাল নির্মাণ, বন্দররে৩টি গ্যান্টিক্রেন স্থাপন, লালখান বাজার থকেে বমিান বন্দর এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে নির্মাণ, কালূঘাট থেকে কর্ণফুলী পর্যন্ত রিভার ড্রাইভ রোড় নির্মাণ, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প, পতেঙ্গা থেকে ফৌজদার হাট পর্যন্ত রিং রোড় নির্মাণ, নগরীর রাস্তাঘাট টার্মিনাল নগরীর সড়ক উন্নয়ন,ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নতি করণের জন্য প্রকল্প ,চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণে সক্ষমতা বড়ানো প্রকল্প, কর্ণফূলী ট্যাণেল, ওয়াসার স্যুয়ারেজ প্রকল্প গ্রহন করেছে সরকার।

এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সিংগাপুর – ব্যাংক মার্কেটে সফটওয়্যার পার্ক নির্মাণ, কালুঘাট -এ সাড়ে ১০একর জায়গায় হাইটেক পার্ক নির্মাণ, অত্যাধুনিক কসাইখানা নির্মাণ, কিচেন মার্কেট এবং কুলগাঁ এলাকায় অত্যাধুনিক বাস-ট্রাক টার্মিন্যাল নির্মান প্রভৃতি প্রকল্প গ্রহন করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এই সমস্ত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামে বসবাসকারী জনগনের সেবার মান দ্বিগুন হবে। চট্টগ্রামের সামগ্রিক এই উন্নয়নের কৃতিত্বের দাবীদার হিসেবে মেয়র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা উল্লেখ করেন।

এ বিভাগের আরও খবর

Leave A Reply

Your email address will not be published.