রংপুরে পল্লী নিবাসে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন এরশাদ 

0

সিটি নিউজ ডেস্কঃ অবশেষে রংপুরে পল্লী নিবাসে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন এরশাদ। যথাযথ সামরিক মর্যাদায় সাবেক রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বিকাল ৫টা ৫১ মিনিটে রংপুরে গ্রামের বাড়ি পল্লী নিবাসের লিচু বাগানে তাকে দাফন করা হয়। প্রথমে এরশাদকে গান ক্যারেজে বহন করে কফিন কবরের পাশে নেয়া হয়। এরপর জাতীয় পার্টি প্রধানের জীবন বৃত্তান্ত পড়ে শোনানো হয়। এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে শুরু হয় দাফন প্রক্রিয়া।

এর আগে দুপুর ২টা ২৮ মিনিটের দিকে রংপুর শহরের কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে সাবেক এ সেনাপ্রধানের চতুর্থ ও শেষ দফা নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় পার্টির সিনিয়র নেতারা এরশাদকে ঢাকার সামরিক কবরস্থানে দাফনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে, জাতীয় পার্টি রংপুর শাখা তাদের প্রিয় নেতাকে এরশাদের গ্রামের বাড়ি পল্লীনিবাসে দাফনের ঘোষণা দেয়। তারা এরশাদের মরদেহ রংপুর থেকে কোথাও নিতে দেওয়া হবে না ঘোষনা দিয়ে রংপুরে কবর দেয়ার লক্ষে কবরও তৈরী করে রাখে। অবশেষে রংপুরের গণমানুষের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এরশাদকে রংপুরেই দাফন করার সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় পার্টি। এতে সম্মতি দেন তার স্ত্রী রওশন এরশাদও।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার যোগে এরশাদের কফিন ঢাকা তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে রংপুরে নেয়া হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় পার্টির প্রধানকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি রংপুর সেনানিবাসে পৌঁছায়।

৯০ বছর বয়সী সাবেক সেনাশাসক ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য এরশাদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

জানা গেছে, আজ ফজরের আজানের পর কিছুটা আবহাওয়া খারাপ হলেও রংপুর মহানগরীতে এরশাদের জানাযা ও দাফন কার্যে অংশ নিতে উত্তরাঞ্চলের ষোল জেলা থেকে নেতাকর্মী এবং রংপুর অঞ্চল থেকে আসতে শুরু করেন মানুষ। সকাল ৯ টায় আকাশ পরিষ্কার হয়ে গেলে নারী পুরুষ থেকে আবাল বৃদ্ধবনিতার ঢল নামে রংপুর কেন্দ্রীয় কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে। যে মাঠে এরশাদ গত কোরবানীর ঈদেও নামাজ পরে সবার সাথে হাত মিলিয়েছিলেন। দুপুর ১২ টা ১৪ মিনিটে রাজধানীর পশ্চিম পান্থপথের আলিফ মেডিক্যাল সার্ভিসের একটি লাশবাহী ফ্রিজ গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-শ-১১-২৫৯৪) করে রংপুর সেনানিবাস থেকে এরশাদের মরদেহ আনা হয় কালেক্টরেট মাঠে। গাড়িটি চালিয়ে আনেন আব্দুর রহিম নামের এক চালক। এরপর তার মরদেহকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেয়া হয়, পালন করা হয় নিরবতা।

পরে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি মেয়র, ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসকম পুলিশ সুপার ছাড়াও জাতীয় পার্টি, আওয়ামীলীগ, বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক, রাজনীতিক, পেশাজীবি, প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।

 

 

মঙ্গলবার ফজরের আজানের পর কিছুটা আবহাওয়া খারাপ হলেও রংপুর মহানগরীতে এরশাদের জানাযা ও দাফন কার্যে অংশ নিতে উত্তরাঞ্চলের ষোল জেলা থেকে নেতাকর্মী এবং রংপুর অঞ্চল থেকে আসতে শুরু করেন মানুষ। সকাল ৯ টায় আকাশ পরিষ্কার হয়ে গেলে নারী পুরুষ থেকে আবাল বৃদ্ধবনিতার ঢল নামে রংপুর কেন্দ্রীয় কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে। যে মাঠে এরশাদ গত কোরবানীর ঈদেও নামাজ পরে সবার সাথে হাত মিলিয়েছিলেন। দুপুর ১২ টা ১৪ মিনিটে রাজধানীর পশ্চিম পান্থপথের আলিফ মেডিক্যাল সার্ভিসের একটি লাশবাহী ফ্রিজ গাড়িতে (ঢাকা মেট্রো-শ-১১-২৫৯৪) করে রংপুর সেনানিবাস থেকে এরশাদের মরদেহ আনা হয় কালেক্টরেট মাঠে। গাড়িটি চালিয়ে আনেন আব্দুর রহিম নামের এক চালক। এরপর তার মরদেহকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেয়া হয়, পালন করা হয় নিরবতা।     পরে সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি মেয়র, ডিআইজি, বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসকম পুলিশ সুপার ছাড়াও জাতীয় পার্টি, আওয়ামীলীগ, বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক, রাজনীতিক, পেশাজীবি, প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।  অন্যদিকে ইতেমধ্যেই কালেক্টরেট মাঠ ভর্তি হয়ে মানুষের ঢল চলে যায় আশেপাশের রাস্তায়, প্রধান সড়কে।এরই মধ্যে লাশের গাড়ির আশপাশসহ পুরো মাঠ ও নগরীর আনাচে কানাচে চলতে তাকে, এরশাদের সমাধি রংপুরে দিতে হবে, রংপুরের মাটিতে দিতে হবে সমাধি সহ বিভিন্ন শ্লোগান। শ্লোগানের মধ্যেই মাইকে বক্তব্য দিতে থাকেন উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতারা। বিক্ষোভ আরো বেড়ে গেলে বেলা ২ টায় হাতে মাইক নিয়ে প্রেসিডিয়াম সদস্য, রংপুর মহানগর সভাপতি ও সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ঘোষণা দেন, স্যারের মরদেহ আমাদের কাছে আছে। কেউ মরদেহ নিয়ে যেতে পারবে না। রক্তের বিনিময়ে হলেও পল্লী নিবাসেই স্যারের সমাধি আমরা করবো।   এরপর শুরু হয় জানাযা নামাজের প্রস্তুতি। জানাযার প্রস্তুতির মধ্যে বক্তব্য রাখেন এরশাদ পুত্র সাদ এরশাদ, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, চেয়ারম্যান জিএম কাদের। জিএম কাদের বক্তব্য দেয়ার সময় এরশাদকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেতা হিসেবে উল্লেখ করে ঢাকায় সমাহিত করার ইঙ্গিত দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এ সময় লাখো জনতা সেখানে বিক্ষোভ করতে থাকে এবং রংপুরে সমাধি চাই দাবী তোলে। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে চলে চরম উত্তেজনা। মঞ্চের মধ্যে উত্তেজনা বেশি ছড়িয়ে পড়লে এক পর্যায়ে মেয়র মোস্তফা জিএম কাদেরের হাত থেকে মাইক নিয়ে ঘোষনা দেন, স্যারের সমাধি পল্লী নিবাসেই হবে। জানাজার প্রস্তুতি নিন। এরপর ২ টা ২৭ মিনিটে শুরু হয় জানাজা।  ইমামতি করেন রংপুর করিমিয়া নুরুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ইদ্রিস আলী। জানাযা নামাজ শেষে আবারও লাশের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ করতে থাকে। এক পর্যায়ে বেলা ২ টা ২৭ মিনিটে লাশের গাড়িতে উঠে পড়েন মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর সেক্রেটারি এসএম ইয়াসির। এরইমধ্যে রোল পড়ে যায় লাশ ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। বিক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে নিজেই ড্রাইভ করে গাড়ি চালিয়ে মাঠের পুর্ব দিক দিয়ে রওনা দেন মেয়র মোস্তফা। এসময় গাড়ির সামনে পেছনে হাজার হাজার মানুষের শ্লোগান চলতে থাকে। লাশের গাড়ি এগুতে থাকে অতি ধীরে। লাশ ডিসির মোড় হয়ে যাওয়ার কথা থাকায় চেকপোস্ট পর্যন্ত কড়া নিরাপত্বা বলয় তৈরি করে প্রশাসন। কিন্তু মোস্তফা নিজে গাড়ি চালিয়ে উল্টোপথ সিটি করপোরেশনের দিকে রওনা হন। লাশের গাড়ি যখন সিটি করপোরেশনের সামনে।     ঠিক তখনই জিএম কাদের সাংবাদিকদের জানান, আমিও চেয়েছিলাম রংপুরের হোক ভাইয়ের সমাধি। কিন্তু ভাবীসহ অন্যান্যরা ঢাকায় হওয়ার পক্ষে ছিল। রংপুরের মানুষের ভালোবাসার বিষয়টি আমি সাথে সাথে ভাবী রওশন এরশাদকে জানাই। তিনিও রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন এবং কবরের পাশে তার জায়গা রাখার কথা বলেন। মুহুর্তেই তা ব্রেকিং নিউজের চাংকে স্থান পায়। কিন্তু সাধারণ মানুষ সেটি বিশ্বাস করছিলেন না। সেকারণে এরশাদের মরদেহ বহনকারী লাশটির সামনে পিছনে বিক্ষোভ চলতেই থাকে। সেকারণে ধীরেই এগুতে থাকে গাড়ি। পরে পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানী মোড়, শাপলা, খামার মোড় লালবাগ কলেজপাড়া দর্শনা হয়ে পল্লী নিবাসে গিয়ে লাশের গাড়ি পৌছায় বিকেলে ৪ টা ৪৭ মিনিট। ৫ কিলোমিটার পথ যেতে সময় লাগে ২ ঘন্টারও বেশী। এরই মধ্যে জিএম কাদের, মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ জাতীয় পার্টির ঢাকা থেকে আসা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পল্লী নিবাসে গিয়ে উঠেন।  অন্যদিকে এরইমধ্যে এরশাদকে সমাহিত করতে খনন করে রাখা পল্লী নিবাসের লিচু বাগানের কবর ও আশেপাশের এলাকায় সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়। প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা সম্পন্ন করে সেনাবাহিনী ৫ টা ৪০ মিনিটে এরশাদের মরদেহকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। ৫ টা ৪৩ মিনিটে সেনাবাহিনীর তত্বাবধায়নে নিজের লাগানো লিচুবাগানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন এরশাদ। লাখো জনতা দাফন কাফন কাজে অংশ নিয়ে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। গত ৮ জুলাই এরশাদকে রংপুরে সমাহিত করার দাবি প্রথম সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েদিয়েছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

                                                    রংপুরের পল্লী নিবাসে চির নিদ্রায় শায়িত এরশাদ

অন্যদিকে ইতেমধ্যেই কালেক্টরেট মাঠ ভর্তি হয়ে মানুষের ঢল চলে যায় আশেপাশের রাস্তায়, প্রধান সড়কে।এরই মধ্যে লাশের গাড়ির আশপাশসহ পুরো মাঠ ও নগরীর আনাচে কানাচে চলতে তাকে, এরশাদের সমাধি রংপুরে দিতে হবে, রংপুরের মাটিতে দিতে হবে সমাধি সহ বিভিন্ন শ্লোগান। শ্লোগানের মধ্যেই মাইকে বক্তব্য দিতে থাকেন উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতারা। বিক্ষোভ আরো বেড়ে গেলে বেলা ২ টায় হাতে মাইক নিয়ে প্রেসিডিয়াম সদস্য, রংপুর মহানগর সভাপতি ও সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ঘোষণা দেন, স্যারের মরদেহ আমাদের কাছে আছে। কেউ মরদেহ নিয়ে যেতে পারবে না। রক্তের বিনিময়ে হলেও পল্লী নিবাসেই স্যারের সমাধি আমরা করবো।

এরপর শুরু হয় জানাযা নামাজের প্রস্তুতি। জানাযার প্রস্তুতির মধ্যে বক্তব্য রাখেন এরশাদ পুত্র সাদ এরশাদ, মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা, চেয়ারম্যান জিএম কাদের। জিএম কাদের বক্তব্য দেয়ার সময় এরশাদকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেতা হিসেবে উল্লেখ করে ঢাকায় সমাহিত করার ইঙ্গিত দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে। এ সময় লাখো জনতা সেখানে বিক্ষোভ করতে থাকে এবং রংপুরে সমাধি চাই দাবী তোলে। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে চলে চরম উত্তেজনা। মঞ্চের মধ্যে উত্তেজনা বেশি ছড়িয়ে পড়লে এক পর্যায়ে মেয়র মোস্তফা জিএম কাদেরের হাত থেকে মাইক নিয়ে ঘোষনা দেন, স্যারের সমাধি পল্লী নিবাসেই হবে। জানাজার প্রস্তুতি নিন। এরপর ২ টা ২৭ মিনিটে শুরু হয় জানাজা।

ইমামতি করেন রংপুর করিমিয়া নুরুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ইদ্রিস আলী। জানাযা নামাজ শেষে আবারও লাশের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ করতে থাকে। এক পর্যায়ে বেলা ২ টা ২৭ মিনিটে লাশের গাড়িতে উঠে পড়েন মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর সেক্রেটারি এসএম ইয়াসির। এরইমধ্যে রোল পড়ে যায় লাশ ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হবে। বিক্ষোভ আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে নিজেই ড্রাইভ করে গাড়ি চালিয়ে মাঠের পুর্ব দিক দিয়ে রওনা দেন মেয়র মোস্তফা। এসময় গাড়ির সামনে পেছনে হাজার হাজার মানুষের শ্লোগান চলতে থাকে। লাশের গাড়ি এগুতে থাকে অতি ধীরে। লাশ ডিসির মোড় হয়ে যাওয়ার কথা থাকায় চেকপোস্ট পর্যন্ত কড়া নিরাপত্বা বলয় তৈরি করে প্রশাসন। কিন্তু মোস্তফা নিজে গাড়ি চালিয়ে উল্টোপথ সিটি করপোরেশনের দিকে রওনা হন। লাশের গাড়ি যখন সিটি করপোরেশনের সামনে।

ঠিক তখনই জিএম কাদের সাংবাদিকদের জানান, আমিও চেয়েছিলাম রংপুরের হোক ভাইয়ের সমাধি। কিন্তু ভাবীসহ অন্যান্যরা ঢাকায় হওয়ার পক্ষে ছিল। রংপুরের মানুষের ভালোবাসার বিষয়টি আমি সাথে সাথে ভাবী রওশন এরশাদকে জানাই। তিনিও রংপুরে দাফনের অনুমতি দেন এবং কবরের পাশে তার জায়গা রাখার কথা বলেন। মুহুর্তেই তা ব্রেকিং নিউজের চাংকে স্থান পায়। কিন্তু সাধারণ মানুষ সেটি বিশ্বাস করছিলেন না। সেকারণে এরশাদের মরদেহ বহনকারী লাশটির সামনে পিছনে বিক্ষোভ চলতেই থাকে। সেকারণে ধীরেই এগুতে থাকে গাড়ি। পরে পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানী মোড়, শাপলা, খামার মোড় লালবাগ কলেজপাড়া দর্শনা হয়ে পল্লী নিবাসে গিয়ে লাশের গাড়ি পৌছায় বিকেলে ৪ টা ৪৭ মিনিট। ৫ কিলোমিটার পথ যেতে সময় লাগে ২ ঘন্টারও বেশী। এরই মধ্যে জিএম কাদের, মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ জাতীয় পার্টির ঢাকা থেকে আসা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ পল্লী নিবাসে গিয়ে উঠেন।

অন্যদিকে এরইমধ্যে এরশাদকে সমাহিত করতে খনন করে রাখা পল্লী নিবাসের লিচু বাগানের কবর ও আশেপাশের এলাকায় সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয়। প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা সম্পন্ন করে সেনাবাহিনী ৫ টা ৪০ মিনিটে এরশাদের মরদেহকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। ৫ টা ৪৩ মিনিটে সেনাবাহিনীর তত্বাবধায়নে নিজের লাগানো লিচুবাগানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন এরশাদ। লাখো জনতা দাফন কাফন কাজে অংশ নিয়ে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। গত ৮ জুলাই এরশাদকে রংপুরে সমাহিত করার দাবি প্রথম সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েদিয়েছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

গত ২৬ জুন শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। গত ৪ জুলাই থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। রোববার সকালে সাবেক স্বৈরশাসক এরশাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

একই দিন বাদ জোহর ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে এরশাদের প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। সোমবার সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এরশাদের দ্বিতীয় ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তৃতীয় নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। বুধবার ঢাকার গুলশানের আজাদ মসজিদে এরশাদের কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এরশাদের ভাই জিএম কাদের বলেছেন, আমাদের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত ছিল বনানী সামরিক কবরস্থানে এরশাদের দাফনের সিদ্ধান্ত হলেও আমার বড়ভাই এরশাদের প্রতি রংপুরবাসীর ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমরা রংপুরেই কবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

এ বিভাগের আরও খবর

Leave A Reply

Your email address will not be published.