চন্দনাইশে ৫৩৫ জন প্রবাসীর মধ্যে ৪৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে

0

চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকারী ৫’শ ৩৫ জনের মধ্যে ৪৫ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ করেছেন প্রশাসন।

জানা গেছে, গত ৫ মার্চ থেকে গতকাল ২২ মার্চ পর্যন্ত চন্দনাইশে সৌদিয়া, ইতালি, কাতার, ফ্রান্স, দুবাই, নেপাল, ভারত থেকে আসা ৪৫ জনকে কোভিড-১৯ হোম কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের তালিকায় রেখেছেন স্বাস্থ্য বিভাগ। তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ৫ মার্চ থেকে গতকাল ২২ মার্চ পর্যন্ত যারা বিদেশ থেকে চন্দনাইশ প্রবেশ করেছেন, তারা হলেন দুবাই থেকে এসেছেন জোয়ারা নগরপাড়ার আবুল ফয়েজ, জিহস ফকিরপাড়ার মো. ফারুক, সৌদিয়া থেকে চৌধুরীপাড়ার মো. বোরহান, জাহাঙ্গীর আলম, মো. রাশেদ, পৌরসভার গাবতল মো. মফিজ, বদুরপাড়ার মো. এমরান উদ্দিন, কাতার থেকে মধ্যম চন্দনাইশে সাজ্জাদ হোসেন, ফ্রান্স থেকে হাশিমপুর বড়ুয়া পাড়ার অঞ্জন বুড়য়া,

বিজিসি ট্রাস্টের শিক্ষার্থী যথাক্রমে নেপালের সুনিল কুমার দেওয়ানজি, সম্ভু প্রসাদ সাহা, ভারতের শ্রীমান লাহিড়ী , উম্মে হাবিবা, রাবিক জ্জামান, সামিনা আকতার, শ্রেয়ান্স ত্রিপতি, ভারত থেকে আসা জামিজুরি পুতুল বড়ুয়ার ছেলে অভি বড়ুয়া, রবিন্দ্র রুদ্রর’র ছেলে দীপ্ত রুদ্র, রঞ্জিত মল্লিকের ছেলে রিটন মল্লিক, দুবাই থেকে আসা নলিনি বিশ্বাস ছেলে দিলীপ বিশ্বাস, মিজ্জির দোকান এলাকার আবদুল গণির ছেলে নুরুল আবছার,

সাতবাড়িয়া নগর পাড়ার আব্দুল সামাদের ছেলে আব্দুল আলম, মো. শফি’র ছেলে মো. বাবুল, বরকত আলী’র ছেলে লেয়াকত আলী, আবুধাবী থেকে আসা বৈলতলী জাফরাবাদের আব্দুল কাদেরের ছেলে আবু ছালেক, হাশিমপুরের সিরাজুল হকের ছেলে লোকমান, বৈলতলী আব্দুল কাদেরের ছেলে আবু বক্কর, নুরুল আবছারের ছেলে মো. ওসমান, দক্ষিন অফ্রিকা থেকে আসা আব্দুর রহিমের ছেলে মো. দিদার,

সৌদিয়া থেকে আসা জাফরাবাদ বৈলতলী মৃত ফেরু মিয়ার ছেলে আহমদ ছৈয়দ, চৌধুরীপাড়ার শামসুল আলমের ছেলে মো. মামুন, ওমান থেকে আসা চাগাচর এলাকার মো. আলমের ছেলে মো. ইলিয়াছ, বরমা মাইগাতার সাধন প্রসাদের ছেলে মিলন প্রসাদ, দিয়াকুলের মো. সোলতানের ছেলে মো. ফরিদ, হাছনদন্ডীর মো. ইকবাল, বাহারাইন থেকে আসা হাছনদন্ডীর মৃত খুইল্যা মিয়ার ছেলে সরু মিয়া,

আবুধাবী থেকে আসা জাফরাবাদের নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. হৃদয়, সৌদিয়া থেকে আসা হারলার নেজাম উদ্দিন, মো. শাহ্ জাহান, সাফা মারওয়া বিনতে রেজাউল, ভারত থেকে চন্দনাইশ পৌরসভার নাছির উদ্দিনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন টিপু জোয়ারা হিন্দু পাড়ার -মৃত সুশীল কুমার রক্ষিতের ছেলে সত্য প্রসাদ রক্ষিত, তার স্ত্রী ঝর্ণা রক্ষিত, বদুর পাড়ার মৃত মনির আহম্মদের ছেলে মো. জাবেদ হোসাইন, ওমান থেকে আসা মধ্যম হারলার মনছফ আলী’র ছেলে মো. সালামত উল্লাহ, সৌদি আরব থেকে হাশিমপুরের বদিউল আলমের ছেলে মো. লেয়াকত আলীসহ ৪৫ জন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহিন হাসান বলেছেন, চন্দনাইশে আরও প্রচুর প্রবাসী ইতিমধ্যে দেশে প্রবেশ করেছেন। এদের তালিকা সংগ্রহের জন্য কাজ চলছে।

জানা যায়, চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ বা চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোন রকম সরঞ্জাম বা ঔষধ পত্র দেয়া হয়নি। ফলে এ ধরণের রোগী হাসপাতালে আসলে বিপাকে পড়তে পারেন চিকিৎসকেরা। জরুরীভাবে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাসের রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ঔষধ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রেরণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

থানা অফিসার ইনচার্জ কেশব চক্রবর্তী থানার সকল কর্মকর্তাদেরকে হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিডাইজার ও সার্জিক্যাল মাস্ক পড়িয়ে দেন। এছাড়া থানার প্রবেশ ধারে হ্যান্ড ওয়াশের ব্যবস্থা করা হয়। চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন, থানা অফিসার ইনচার্জ কেশব চক্রবর্তী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. শাহিন হাসান চৌধুরী যৌথভাবে বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে হোম কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ করছেন।

এ বিভাগের আরও খবর

আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.