আওয়ামী লীগে হাইব্রিডদের জয় জয়কার

0

জুবায়ের সিদ্দিকীঃ বঙ্গবন্ধুর খুনি নুর চৌধুুরীর আপন ভাতিজা মতিয়র রহমান। খুনি পরিবারেরর এই সন্তানকে জাতির পিতার হাতেগড়া আওয়ামী লীগের সিলেট জেলার উপ-প্রচার সম্পাদক করার প্রস্তাব করেছেন জেলার বর্তমান সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক।

এখানেই শেষ নয়। কারাবন্দী দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মুক্তির দাবীতে আন্দোলন করা একজনকে লন্ডনে আওয়ামী পরিবারের পদপদবীতে রাখা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষের আইনজীবি ব্যারিষ্টার রাজ্জাকের ভাতিজা আব্বাস উদ্দিনের নামও আছে প্রস্তাবিত কমিটিতে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির ছেলে উপ-দপ্তর সম্পাদক পদে প্রস্তাব করা হয়েছে।

শুধু সিলেটেই নয়। দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতে হইব্রিডদের দাপটে কোনটাসা ত্যাগীরা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা উপেক্ষা করেই পকেট কমিটি ও হাইব্রিডদের এখন ছড়াছড়ি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হাইব্রিডদের স্থান হবে না দলে। ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ঘরের ভেতর ঘর, মশারির ভেতর মশারি টানাবেন না।

করোনা ভাইরাসে থমকে যাওয়া মাঠের রাজনীতি চাঙ্গা করতে উদ্যোগী হয়েছে দল। ইতিমধ্যে ৮টি সাংগঠনিক কমিটি গঠন হয়েছে। ৩২টি সাংগঠনিক জেলার কমিটি কেন্দ্রের হাতে। এ ছাড়া সম্মেলন করার ১০ মাস পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করতে যাচ্ছে দলের ৫টি সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠন।

গত বছরের নভেম্বরে সম্মেলন হওয়া স্বেচ্ছাসেবক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। চট্টগ্রামেও একই চিত্র। গডফাদারদের কাছের মানুষ এসব হাইব্রীডরা। এরাই এখন মুজিব প্রেমী এবং সংগঠনপ্রেমী। ত্যাগীরা উপেক্ষিত। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা হতাশ। কারন: গডফাদার ও রাঘব বোয়ালরা তাদের চাটুকারদের প্রাধান্য দিচ্ছে সর্বত্র। ত্যাগীদের তারা চোখে দেখেন না। বিভেদ-বিভাজন করে গডফাদাররাই রাজনীতিকে বারবার কলুষিত করছে।

এ বিভাগের আরও খবর

আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.